এখন চাকরিজীবীদের জন্য ‘সেকেন্ড ইনকাম’ সোর্স তৈরি করার সবচেয়ে পারফেক্ট সময় ⤵
আপনি যদি কোর্সটি করার পর কোর্সে দেখানো ইন্সট্রাকশন ফলো করে, বিজনেস লঞ্চ করার পরও কোন ইনকাম করতে না পারেন তাহলে আমি আপনার ফুল পেমেন্ট ফেরত দিব ‘নো কোশ্চেনস আস্কড' প্লাস আপনার সময় নষ্ট করার জন্য আপনাকে নগদ ১০০০ টাকা দিব
- ৬ টি মডিউল
- ২৪ টি স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিও লেসন
- ২-৩ ঘণ্টার ভেতরে শেষ করতে পারবেন
- একটি বোনাস বেস্ট সেলিং ইবুক
- ৩ টি বোনাস হাই ইম্প্যাক্ট চ্যাপ্টার
- বিজনেস প্রফিট ক্যালকুলেটর
- ১০১টি প্রফিটেবল ই-বুক নিস আইডিয়া
কিন্তু এদেশের ফুল-টাইম চাকরিজীবীদের চিরন্তন সমস্যা... মাস শেষে কম স্যালারি, ফ্যামিলি টেনশন, আর চাকরি হারানোর ভয়। এর মধ্যে সেকেন্ড ইনকাম শুরু করতে গেলে দেখা যায়...
- সময় নেই
- অতিরিক্ত ওভারটাইমের চাপ
- কী নিয়ে কাজ শুরু করবেন তার আইডিয়া নেই
- আর আইডিয়া থাকলেও সঠিক গাইডলাইন নেই
সব সমস্যার সমাধান একটাই, "সেকেন্ড ইনকাম অ্যাসেট বানানো", কেন?
জানতে হলে একটু পড়ে দেখুন ⤵
আমরা সেকেন্ড ইনকাম শুরু করার কথা ভাবি মূলত অন্যের দেখাদেখি অথবা ইউটিউবের আনরিয়ালিস্টিক ইনকাম ভিডিওর অনুপ্রেরণায়। একজন চাকরিজীবী হিসেবে আমাদের লিমিটেশনগুলো নিয়ে আমাদের কোনো হলিস্টিক ভিউ থাকে না। তাইতো কাজ শুরু করার কয়েকদিনের মাঝেই হতাশ হয়ে ছেড়ে দিই। বসের গালি আর অফিসের চাপে আমরা দিশেহারা হয়ে যাই। কারণ একজন ফুল-টাইম এমপ্লয়ি কীভাবে দিনে মাত্র ১-২ ঘণ্টা সময় দিয়ে একটি সলিড ইনকাম সোর্স বানাবে, তার কোনো পারফেক্ট গাইডলাইন কোথাও নেই।
এই ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে কেউ হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেয় না।
কারণ…
এই কোর্সে চাকরিজীবীদের রিয়েলিটি মাথায় রেখে, একদম শূন্য থেকে কীভাবে একটি সাস্টেইনেবল সেকেন্ড ইনকাম সোর্স তৈরি করতে হয় তার পুরো একটা স্ট্র্যাটেজিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক স্টেপ-বাই-স্টেপ শেয়ার করা হয়েছে। এতে আপনি অসংখ্য অজানা ভুল আর সময় নষ্ট থেকে বেঁচে যাবেন এবং মাত্র ২-৩ ঘণ্টাই আপনার প্রথম সেকেন্ড ইনকাম সোর্স ক্রিয়েট করার একটি ক্লিয়ার রোডম্যাপ পেয়ে যাবেন, চাকরী না ছেড়েই।
(🔒 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সাথে সাথেই ই-বুকের এক্সেস আপনার ইমেইলে চলে যাবে 🚀)
একটু সত্যি করে বলেন তো…
- মাস শেষ হওয়ার আগেই স্যালারির টাকা শেষ!
- পরিবারকে ভালো কিছু দিতে চাইলে বা হঠাৎ কোনো ইমার্জেন্সি আসলে টাকার জন্য টেনশনে পড়তে হয়
- চাকরি হারানোর ভয়ে সবসময় একটা মানসিক চাপে থাকেন
- ভাবছেন চাকরির পাশাপাশি কিছু একটা করবেন, কিন্তু কোথা থেকে আর কীভাবে শুরু করবেন, বুঝতে পারছেন না
- দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তাতে শুধু একটা ইনকামের ওপর ভরসা করে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে
যদি আপনার উত্তর “হ্যাঁ” হয়, তবে বিশ্বাস করুন— আপনি একা নন। আমাদের দেশের বেশিরভাগ চাকরিজীবীর একই অবস্থা। কিন্তু সমস্যাটা আপনার স্যালারিতে নয়,সমস্যাটা হলো শুধুমাত্র একটি ইনকাম সোর্সের উপর নির্ভর করায়।
আর ঠিক এই কারণেই এই কোর্সের সাথে আমরা অ্যাড করেছি একটি বোনাস ইবুক—স্যালারি থেকে সেকেন্ড ইনকাম অ্যাসেট বানানোর ফ্রেমওয়ার্ক। কিছুটা পড়ে দেখেন কিভাবে এটা আপনার চিন্তা-ভাবনাকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে
(🔒 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সাথে সাথেই ই-বুকের এক্সেস আপনার ইমেইলে চলে যাবে 🚀)
এই কোর্সে আপনি কি কি শিখবেন?
এই কোর্স শেষে শুধু কিছু নতুন তথ্য জানবেন না—আপনি আপনার নিজের স্কিল, অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান ব্যবহার করে একটি সাইড বিজনেস তৈরি করার স্টেপ-বাই-স্টেপ প্রসেস শিখবেন। একবার শিখে গেলে আজীবন কাজে লাগাতে পারবেন।
আপনার যা যা শেখা হবে:নিজের কোন নলেজ থেকে ইনকাম করা সম্ভব তা বের করা
আপনার বর্তমান স্কিল, জব এক্সপেরিয়েন্স ও নলেজ থেকে কোন বিষয় নিয়ে মানুষ টাকা দিয়ে শিখতে বা সমাধান নিতে চাইবে তা খুঁজে বের করবেন।
সঠিক টপিক ও কাস্টমার নির্বাচন করা
কোন টপিক নিয়ে কাজ করবেন, কার জন্য করবেন এবং তারা আসলে কোন সমস্যার জন্য টাকা দিতে রাজি—এগুলো যাচাই করার সহজ ফ্রেমওয়ার্ক শিখবেন।
নিজের নলেজকে একটি পেইড প্রোডাক্টে পরিণত করা
ইবুক, গাইড, ওয়ার্কশপ, ট্রেনিং বা অন্য ডিজিটাল প্রোডাক্টের মধ্যে কোন ফরম্যাট আপনার জন্য উপযুক্ত এবং কীভাবে সেটি তৈরি করবেন তা শিখবেন।
এমন অফার তৈরি করা যাতে মানুষ “কেন কিনব?” প্রশ্নের উত্তর পায়
শুধু ইনফরমেশন বিক্রি না করে রেজাল্ট, বেনিফিট ও ভ্যালু-কে সামনে রেখে একটি স্ট্রং অফার তৈরি করতে শিখবেন।
হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করা
আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের জন্য এমন একটি সেলস পেইজ বানানোর ফ্রেমওয়ার্ক শিখবেন, যেখানে হেডলাইন, প্রবলেম, সলিউশন, প্রুফ, অফার ও কল-টু-অ্যাকশন সঠিকভাবে সাজানো থাকে।
পেমেন্ট ও অর্ডার নেওয়ার সিস্টেম তৈরি করা
কাস্টমার যেন সহজে পেমেন্ট করতে পারে এবং আপনি অর্ডার/কাস্টমার ইনফরমেশন সংগ্রহ করতে পারেন—সেই বেসিক সেলস সিস্টেম সেটআপ করতে শিখবেন।
ফেসবুক/মেটা অ্যাডস দিয়ে প্রথম কাস্টমার আনার প্রসেস
কাকে টার্গেট করবেন, কী ধরনের অ্যাড তৈরি করবেন, কীভাবে টেস্ট করবেন এবং কোন সংখ্যাগুলো দেখে অ্যাড চালিয়ে যাবেন বা বন্ধ করবেন—তা শিখবেন।
প্রথম ৫–১০ জন কাস্টমার পাওয়ার জন্য লঞ্চ স্ট্র্যাটেজি
আপনার প্রোডাক্ট তৈরি হওয়ার পর কোথা থেকে প্রথম কাস্টমার আনবেন এবং কীভাবে আপনার প্রথম সেলস তৈরি করবেন তার প্র্যাকটিক্যাল লঞ্চ প্রসেস শিখবেন।
আপনার একবারের কাস্টমার থেকে মাল্টিপল ইনকাম তৈরি করা
একটি ছোট প্রোডাক্ট থেকে কীভাবে ওয়ার্কশপ, সার্ভিস, মেন্টরশিপ বা হায়ার-টিকেট অফারের দিকে কাস্টমার নেওয়া যায়—সেই ব্যাকএন্ড স্ট্র্যাটেজি বুঝবেন।
আপনার একবারের কাস্টমার থেকে মাল্টিপল ইনকাম তৈরি করা
একটি ছোট প্রোডাক্ট থেকে কীভাবে ওয়ার্কশপ, সার্ভিস, মেন্টরশিপ বা হায়ার-টিকেট অফারের দিকে কাস্টমার নেওয়া যায়—সেই ব্যাকএন্ড স্ট্র্যাটেজি বুঝবেন।
এই মাস্টারক্লাসটি কাদের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে?
- কর্পোরেট চাকরিজীবী, যাঁদের নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে এক্সপার্টিজ আছে।
- ফ্রিল্যান্সার, যাঁরা ক্লায়েন্টের কাজের পাশাপাশি প্যাসিভ ইনকাম বিল্ড করতে চান।
- টিচার বা কনসালটেন্ট, যাঁরা তাঁদের নলেজকে স্কেল করতে চান।
- যে কেউ, যিনি নিজের স্কিলকে একটি প্রফিটেবল ডিজিটাল প্রোডাক্টে পরিণত করতে চান।
আপনার নলেজ আপনার সবচেয়ে বড় অ্যাসেট। সেটাকে ক্যাশ করতে আর দেরি করবেন না!
১টি হাই-টিকেট ক্লায়েন্ট বা ১ কপি ই-বুক সেল করেই আপনি এই বইয়ের দাম তুলে ফেলতে পারবেন।
- একটি ভ্যালিডেটেড ইনকাম আইডিয়া
- ১ টি একটি রেডি-টু-সেল ডিজিটাল প্রোডাক্ট / সার্ভিস
- একটি সেলস অফার
- একটি ল্যান্ডিং পেইজ
- একটি পেমেন্ট/অর্ডার সিস্টেম
- একটি লঞ্চ প্ল্যান
- প্রথম কাস্টমার পাওয়ার স্ট্র্যাটেজি
Connect with Imtiaz Khan on LinkedIn.