এখন চাকরিজীবীদের জন্য ‘সেকেন্ড ইনকাম’ সোর্স তৈরি করার সবচেয়ে পারফেক্ট সময় ⤵
আপনি যদি বইটি পড়ার পর বইয়ে দেখানো ইন্সট্রাকশন ফলো করে, বিজনেস লঞ্চ করার পরও ১৪ দিনে ৫ হাজার টাকা বা এর বেশি ইনকাম করতে না পারেন তাহলে আমি আপনার টাকা ফেরত দিব ‘নো কোশ্চেনস আস্কড' প্লাস আপনার সময় নষ্ট করার জন্য আপনাকে নগদ ১০০০ টাকা দিব
- ১৭১ পৃষ্ঠা
- ১১ টি স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিও টিউটোরিয়াল
- ইবুক বিজনেস প্রফিট ক্যালকুলেটর
- ৩ টি বোনাস হাই ইম্প্যাক্ট চ্যাপ্টার
- ১০১টি প্রফিটেবল ই-বুক নিস আইডিয়া
কিন্তু এদেশের ফুল-টাইম চাকরিজীবীদের চিরন্তন সমস্যা... মাস শেষে কম স্যালারি, ফ্যামিলি টেনশন, আর চাকরি হারানোর ভয়। এর মধ্যে সেকেন্ড ইনকাম শুরু করতে গেলে দেখা যায়...
- সময় নেই
- অতিরিক্ত ওভারটাইমের চাপ
- কী নিয়ে কাজ শুরু করবেন তার আইডিয়া নেই
- আর আইডিয়া থাকলেও সঠিক গাইডলাইন নেই
সব সমস্যার সমাধান একটাই, "স্যালারি থেকে সেকেন্ড ইনকাম অ্যাসেট বানানোর ফ্রেমওয়ার্ক"। কেন?
জানতে হলে একটু পড়ে দেখুন ⤵
আমরা সেকেন্ড ইনকাম শুরু করার কথা ভাবি মূলত অন্যের দেখাদেখি অথবা ইউটিউবের আনরিয়ালিস্টিক ইনকাম ভিডিওর অনুপ্রেরণায়। একজন চাকরিজীবী হিসেবে আমাদের লিমিটেশনগুলো নিয়ে আমাদের কোনো হলিস্টিক ভিউ থাকে না। তাইতো কাজ শুরু করার কয়েকদিনের মাঝেই হতাশ হয়ে ছেড়ে দিই। বসের গালি আর অফিসের চাপে আমরা দিশেহারা হয়ে যাই। কারণ একজন ফুল-টাইম এমপ্লয়ি কীভাবে দিনে মাত্র ১-২ ঘণ্টা সময় দিয়ে একটি সলিড ইনকাম সোর্স বানাবে, তার কোনো পারফেক্ট গাইডলাইন কোথাও নেই।
(🔒 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সাথে সাথেই ই-বুকের এক্সেস আপনার ইমেইলে চলে যাবে 🚀)
দেখুন আমার স্টুডেন্ট কিভাবে ইনকাম করছে ⤵
একটু সত্যি করে বলেন তো…
- মাস শেষ হওয়ার আগেই স্যালারির টাকা শেষ!
- পরিবারকে ভালো কিছু দিতে চাইলে বা হঠাৎ কোনো ইমার্জেন্সি আসলে টাকার জন্য টেনশনে পড়তে হয়
- চাকরি হারানোর ভয়ে সবসময় একটা মানসিক চাপে থাকেন
- ভাবছেন চাকরির পাশাপাশি কিছু একটা করবেন, কিন্তু কোথা থেকে আর কীভাবে শুরু করবেন, বুঝতে পারছেন না
- দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তাতে শুধু একটা ইনকামের ওপর ভরসা করে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে
যদি আপনার উত্তর “হ্যাঁ” হয়, তবে বিশ্বাস করুন— আপনি একা নন। আমাদের দেশের বেশিরভাগ চাকরিজীবীর একই অবস্থা। কিন্তু সমস্যাটা আপনার স্যালারিতে নয়,সমস্যাটা হলো শুধুমাত্র একটি ইনকাম সোর্সের উপর নির্ভর করায়।
আর ঠিক এই কারণেই আমি লিখেছি—স্যালারি থেকে সেকেন্ড ইনকাম অ্যাসেট বানানোর ফ্রেমওয়ার্ক: ১৪ দিনে আপনার প্রথম ৫ হাজার টাকা।কিছুটা পড়ে দেখতে পারেন
(🔒 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সাথে সাথেই ই-বুকের এক্সেস আপনার ইমেইলে চলে যাবে 🚀)
এই কমপ্লিট ব্লুপ্রিন্টে আপনি ঠিক কী কী পাচ্ছেন?
এটি শুধু সাধারণ গল্পের বই নয়, এটি একটি হাইব্রিড লার্নিং সিস্টেম! বই পড়ার পাশাপাশিবইয়ের ভেতরেই দেওয়া লিংকে ক্লিক করে আপনি সরাসরি আমার ইউটিউব চ্যানেলের এক্সক্লুসিভ টিউটোরিয়ালগুলো দেখতে পারবেন। অর্থাৎ, পড়বেন আর প্র্যাকটিক্যালি স্ক্রিনে কাজগুলো দেখবেন!
বইয়ের ভেতরের মাস্টারক্লাস মডিউলগুলো:
পার্ট ১: দ্যা ই-বুক বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট
আপনার নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা, স্কিল আর ইন্টারেস্টকে কীভাবে একটি ভ্যালুয়েবল ই-বুকে রূপান্তর করবেন তার স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড।
পার্ট ২: ১০১টি প্রফিটেবল ই-বুক নিস আইডিয়া
"কী নিয়ে লিখবো?"—এই কনফিউশন দূর করতে এমন ১০১টি টপিকের লিস্ট, যেগুলোর ডিমান্ড মার্কেটে সবচেয়ে বেশি।
পার্ট ৩: হাই-টিকেট ক্লায়েন্ট হান্টিং
ই-বুক বিক্রি করে তো ৫ হাজার টাকা কামাবেনই, কিন্তু এই ই-বুককে "লিড ম্যাগনেট" বা পোর্টফোলিও হিসেবে ব্যবহার করে কীভাবে বড় বাজেটের (High-Ticket) ক্লায়েন্ট ধরবেন তার সিক্রেট স্ট্র্যাটেজি।
পার্ট ৪: বাংলাদেশে ডিজিটাল বিজনেসের লিগ্যাল প্রসেস
বাংলাদেশে বসে ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিজনেস করতে ট্রেড লাইসেন্স, পেমেন্ট গেটওয়ে, বা ট্যাক্স সংক্রান্ত কী কী নিয়ম মানতে হয়—তার একদম ক্লিয়ার কাট ধারণা, যাতে কোনো আইনি ঝামেলায় না পড়েন।
এই ব্লুপ্রিন্টটি কাদের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে?
- কর্পোরেট চাকরিজীবী, যাঁদের নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে এক্সপার্টিজ আছে।
- ফ্রিল্যান্সার, যাঁরা ক্লায়েন্টের কাজের পাশাপাশি প্যাসিভ ইনকাম বিল্ড করতে চান।
- টিচার বা কনসালটেন্ট, যাঁরা তাঁদের নলেজকে স্কেল করতে চান।
- যে কেউ, যিনি নিজের স্কিলকে একটি প্রফিটেবল ডিজিটাল প্রোডাক্টে পরিণত করতে চান।
আপনার নলেজ আপনার সবচেয়ে বড় অ্যাসেট। সেটাকে ক্যাশ করতে আর দেরি করবেন না!
১টি হাই-টিকেট ক্লায়েন্ট বা ১ কপি ই-বুক সেল করেই আপনি এই বইয়ের দাম তুলে ফেলতে পারবেন।
- ১৭১ পৃষ্ঠা
- ১১ টি স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিও টিউটোরিয়াল
- ইবুক বিজনেস প্রফিট ক্যালকুলেটর
- ৩ টি বোনাস হাই ইম্প্যাক্ট চ্যাপ্টার
- ১০১টি প্রফিটেবল ই-বুক নিস আইডিয়া
Complete Your Order Now
Fill in your details below to get instant access
Don't have bKash? Pay with Nagad, Rocket, Bank Transfer or any other method via WhatsApp.
Pay via WhatsApp Nagad · Rocket · Bank Transfer